মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের অর্জনসমূহ

 

কলকা রখানা ও  প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়, জি -১২৫ রহমাননগর বগুড়া, বাংলাদেশ শ্রম আইন বাস্তবায়নের মাধামে বগুড়া ও জয়পুরহাট ২টি জেলার শ্রমিকদের কাজের  কর্মপরিবেশের উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ।

উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়, বগুড়া এর কার্যক্রমঃ

  • বর্তমানে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ২৩ (তেইশ) টি জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে সারা দেশের  কলকারখানা ও দোকান/প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। তন্মধ্যে উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়, বগুড়া উত্তরবঙ্গের ২টি জেলার (বগুড়া ও জয়পুরহাট) কলকারখানা ও দোকান/প্রতিষ্ঠানে শ্রম আইন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
  • বিগত ১০ বছরে এই দপ্তরের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত ২ টি জেলার প্রায় ১৪৫০ কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ শ্রম আইনের এর আওতায় আনা হয়েছে। লাইসেন্স ইস্যূ ও নবায়ন ফি বাবদ ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ১২,২০১০১/- টাকা রাজস্ব আদায়  করা হয়েছে। 
  • প্রতিটি সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরী বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত মজুরী প্রাপ্তি নিশ্চিত করণের মাধ্যমে অত্র দপ্তর শ্রমিকদের জীবনমান ও আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
  • পরিদর্শকগণ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অন্যান্য ঝুকি নিরুপন এবং এই ঝুকিসমূহ দূরীকরণে শ্রম আইন অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। বগুড়া অফিস এ পর্যন্ত মোট ৬৪ টি কারখানাকে কমপ্লায়েন্স কারখানায় রুপান্তরিত করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সকল কারখানাকে কমপ্লায়েন্স কারখানায় পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
  • বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল একটি দেশে নারীর ক্ষমতায়ন আর্থসামাজিক উন্নয়নের অন্যতম মাপকাঠি। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে মাতৃত্বকালীন ছুটির সুযোগ না থাকলে তা নারীদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশে নিরুৎসাহিত করে। এই দপ্তর শ্রম আইন  অনুযায়ী নারী শ্রমিকদের ৮ সপ্তাহ মাতৃত্বকালীন ছুটি নিশ্চিত করণে কাজ করে যাচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানে নারী শ্রমিকের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • এছাড়া পরিদর্শকগণের চেষ্টায় এখন পর্যন্ত মোট ৮ টি কারখানায় কর্মরত মহিলা শ্রমিকের শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপিত হয়েছে এবং এই সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

 

  • বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের শ্রমে নিযুক্তি আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এই দপ্তর শ্রম আইন অনুযায়ী শিশুশ্রম নিরসনে ভূমিকা রাখছে ফলে শিশুদের শিক্ষা লাভের সুযোগ অধিকতর নিশ্চিত হচ্ছে, যা নিঃসন্দেহে জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়নে ভুমিকা রাখছে।
  • সকল সেক্টরকে শিশু শ্রম মুক্ত সেক্টরে পরিণত করার লক্ষ্যে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, বগুড়া কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্লাস্টিক ও তামাক এই দুইটি সেক্টরকে শিশু শ্রম মুক্ত  করা হয়েছে এবং  ২০২০-২০২১ অর্থবছরে  হোটেল, অটোমোবাইল, ইট/পাথর ভাংগা,ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়াকসপ , বেকারি,প্লাস্টিক শিল্প সেক্টর হতে শিশু শ্রম নিরসনের জন্য কাজ করা হচ্ছে ।
  • অত্র দপ্তর শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানিক ও অপ্রতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তার পরিবারের কল্যাণ সাধন, অসুস্থ-অক্ষম বা অসমর্থ শ্রমিকদের আর্থিক সাহায্য প্রদান, দূর্ঘটনায় শ্রমিকের মৃত্যু ঘটলে তার পরিবারবর্গকে সাহায্য প্রদান, শ্রমিকের জীবন বীমাকরণের জন্য যেৌথ বীমা ব্যবস্থার প্রবর্তন করা সহ শ্রমিকের পরিবারের মেধাবী সদস্যকে শিক্ষা বৃত্তি প্রদানের কাজে ভূমিকা রাখছে।
  • কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর, উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়, বগুড়া  কারখানা ও প্রতিষ্ঠান নিরাপদ করার লক্ষ্যে সেইফটি কমিটি গঠন করেছে।

 

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter